চাকসুর আন্দোলনের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে চারটি চক্রাকার বাস চালুর আশ্বাস দিয়েছেন চবি প্রশাসন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন বাস চালু করার বিষয়টি ঘোষণা দেন।
গ্যাসের দাম বৃদ্ধির কারন দেখিয়ে সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধি করার পর শিক্ষার্থীদের সাথে বাকবিতন্ডা হলে পরবর্তীতে সিএনজি বন্ধ করে দেয় চালকরা। এরপর চাকসুর উদ্যোগে রাত ৮ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক আটকে দেওয়া হয়। দীর্ঘ ৫ ঘন্টা অবস্থান কর্মসূচির পর রাত ১ টায় চবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ আল-আমীন উপস্থিত স্থানীভাবে ৪ টি চক্রাকার বাস চালুর আশ্বাস প্রদান করেন।
চাকসুর অবস্থান কর্মসূচির সাথে একাত্বতা পোষণ করে আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক মো. ইসহাক ভূঁঞা বলেন, “আমাদের দাবির প্রেক্ষিতে প্রশাসন চারটি বাস চালুর আশ্বাস দিয়েছেন, আমরা আশা করি আগামীকাল সকাল থেকেই বাসগুলো চলাচল করবে।”
উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন বলেন, “আজ যেসব শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন, তাদের সবার একটাই দাবি ছিল—ক্যাম্পাসে স্থায়ীভাবে চক্রাকার বাস চালু করতে হবে। রাত অনেক হয়ে যাওয়ায় আমরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে এসেছি, কেননা তাদের এখন হলে ফিরে যাওয়া উচিত। আগামীকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জিরো পয়েন্ট মোড় থেকে এক নম্বর গেট রুটে স্থায়ীভাবে চারটি বাস চালুর ব্যবস্থা করেছে। এই বাসগুলো চক্রাকারে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করবে। তাই এ বিষয় নিয়ে আর বাড়াবাড়ি করার প্রয়োজন নেই।”
ইই
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।