বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) নগরের ৩২, ৩৩ ও ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে বিশেষ এ কার্যক্রম চালানো হয়।
অভিযানের সময় বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল শনাক্ত করা হয়। পরে সেসব স্থান ধ্বংসের পাশাপাশি মশার লার্ভা নিধনে ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। এ সময় ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন করা হয়।
মশার প্রজননস্থল তৈরির জন্য দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমও পরিচালনা করা হয়।
কার্যক্রমে চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এবং মশক ও ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে চসিক। নগরের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে সেখানে বিশেষ মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বাড়ি, ছাদ, নির্মাণাধীন ভবন ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়ার বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
চসিক সূত্র জানায়, নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার ঝুঁকি বিবেচনায় নগরের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে ঝুঁকিপূর্ণ অন্যান্য এলাকাতেও এ অভিযান চালানো হবে।
নগরবাসীকে বাড়ির আঙিনা, ছাদ, নির্মাণাধীন ভবন ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, পুরোনো টায়ারসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেসব নিয়মিত পরিষ্কার করার আহ্বান জানিয়েছে চসিক।
আরএইচ
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।