রোববার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী জানান, নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হলেও বর্তমানে সড়কে চলাচল করা রিকশা তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা হবে না। বৈধ-অবৈধ—সব ধরনের রিকশাই আপাতত চলাচল করতে পারবে। তাই এ নিয়ে মালিকদের আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিটি করপোরেশন এলাকায় স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণে সরকার বিধিমালা প্রণয়ন করেছে। একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে এক বা একাধিক সিটি করপোরেশন থেকে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশার নিবন্ধন নেওয়া যাবে। তবে নিবন্ধন ছাড়া কোনো ই-রিকশা চলাচল করতে পারবে না।
প্রতিটি ই-রিকশায় স্পিডোমিটার থাকতে হবে। এসব যানবাহনের সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার।
ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জের ক্ষেত্রেও নিয়ম মানতে হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, নির্ধারিত চার্জিং স্টেশন থেকেই ব্যাটারি চার্জ করতে হবে। অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে চার্জ দেওয়া হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া ই-রিকশার ব্যাটারি ভাঙা যাবে না।
নিবন্ধন ও নবায়ন ফির বিষয়ে মীর শাহে আলম জানান, দুই যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার এককালীন নিবন্ধন ফি আট হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি চার হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, চার যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধন ফি ১০ হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি পাঁচ হাজার টাকা।
ই-রিকশার চলাচল সুশৃঙ্খল করতে জোনভিত্তিক চলাচল, নির্দিষ্ট রুট এবং যানবাহনের জন্য আলাদা রং নির্ধারণের বিষয়টিও চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
এসআই/
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।